জন্মগতভাবে আমরা যে শরীর পেয়েছি, সেটি একটি সম্পদ — বলেন অধ্যাপক ডাঃ আ. ফ. ম. মোমতাজুল হক। দামি গাড়ি কিনে বা সুন্দর বাড়ি বানিয়ে যত্ন না নিলে প্রয়োজনের সময় তা কোনো কাজে আসে না। আমাদের নিজের শরীরই সবচেয়ে দামি বাহন — আর এর যত্ন নিতে হয়।
সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক
মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব করে তুলেছে আমাদের সবচেয়ে উন্নত মস্তিষ্ক। খুলি একে সুরক্ষা দেয়; এখান থেকে মেরুদণ্ডের হাড়ের ভেতর দিয়ে স্পাইনাল কর্ড — অর্থাৎ মূল “ইলেকট্রিক লাইন” — নিচে নেমে যায়, এবং হাত-পায়ে স্নায়ু ছড়িয়ে আমাদের নড়াচড়া করতে সাহায্য করে। আমাদের চিন্তাভাবনা ও শরীরের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক।
ডাক্তার যা পারেন — এবং যা পারেন না
অসুস্থ হলে ডাক্তার রোগ নির্ণয় করেন। কাঠামোগত সমস্যা — যেমন চাপ, টিউমার বা ইনফেকশন — থাকলে তা সরানোর ব্যবস্থা করা যায়। ভিটামিন, ক্যালসিয়াম বা অন্য পুষ্টির ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করা যায়। কিন্তু যত্নের মৌলিক কাজগুলো আপনার নিজের হাতে; সেগুলো না করলে ডাক্তার আপনাকে খুব বেশি সাহায্য করতে পারবেন না।
প্রতিরোধ: প্রতিদিনের মৌলিক অভ্যাস
- সুস্থ জীবনযাপন ও সঠিক পুষ্টি বজায় রাখুন
- শরীরের জন্য ক্ষতিকর কাজ থেকে বিরত থাকুন
- প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমান
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
- ব্যায়াম, ব্যায়াম এবং ব্যায়াম — শরীরকে সচল রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় দিন
লক্ষ্য একটি সুস্থ ও সবল জাতি, যা গড়ে উঠবে প্রিভেন্টিভ মেডিসিন — অর্থাৎ রোগ যাতে না হয় — তার মাধ্যমে। এভাবে চললে ডাক্তারের কাছে আপনাকে অনেক কম আসতে হবে।
এই লেখাটি সাধারণ সচেতনতার জন্য; এটি চিকিৎসকের সরাসরি পরামর্শের বিকল্প নয়।