ব্রেন

ব্রেন টিউমার নিয়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা

ইউটিউবে দেখুন ↗

ব্রেন টিউমার নির্ণয় এখন সহজ হয়ে গেছে — বিভাগীয় ও জেলা শহরসহ সারা দেশেই সিটি স্ক্যান ও এমআরআই হয়। কিন্তু “ব্রেন টিউমার” শুনলেই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এই ভিডিওতে অধ্যাপক ডাঃ আ. ফ. ম. মোমতাজুল হক ব্যাখ্যা করেছেন কেন অনেক সময় আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই — উদাহরণ হিসেবে এনেছেন খুব ভালো ফলাফলের একটি টিউমার: মেনিনজিওমা।

মেনিনজিওমা কী?

মস্তিষ্ক তিন স্তরের পর্দা (মেনিনজেস) দিয়ে ঢাকা — ডুরা, অ্যারাকনয়েড ও পায়া। মেনিনজিওমা মাঝের অ্যারাকনয়েড স্তর থেকে, মস্তিষ্কের বাইরে থেকে উঠে মস্তিষ্কের ওপর চাপ দেয় এবং মাথাব্যথা, বমি তৈরি করে অথবা মস্তিষ্কের কাজ সাময়িকভাবে ব্যাহত করে। এটি একটি বেনাইন টিউমার।

কীভাবে চেনা যায়

এমআরআই দেখেই সাধারণত মেনিনজিওমা অনুমান করা যায়: টি-ওয়ান ও টি-টু দুটিতেই এটি হাইপোইনটেন্স, কিন্তু রক্তপ্রবাহ বেশি থাকায় কনট্রাস্ট দিলে খুব স্পষ্টভাবে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এই লক্ষণগুলো থাকলে রোগীকে আশ্বস্ত করা হয় — নিরাপদভাবে অপসারণ করা গেলে তিনি সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাবেন।

একটি সত্য ঘটনা

২০১৩ সালে ডাক্তার যখন আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস (নিনস)-এ কর্মরত ছিলেন, তখন তাঁর এক বান্ধবী — নিজেও ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তার — হঠাৎ মাথাব্যথা ও খিঁচুনি নিয়ে ভর্তি হন। সিটি স্ক্যানে টিউমার দেখা যায়, পরিবার খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে। এমআরআই করে নিশ্চিত হওয়া যায় এটি মেনিনজিওমা। বিদেশে যাওয়ার পূর্ণ সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশের চিকিৎসকদের ওপর আস্থা রেখে এখানেই অপারেশন করান, এবং আজও খুব ভালো আছেন।

বেনাইন নাকি ম্যালিগন্যান্ট — এটাই মূল প্রশ্ন

ব্রেন টিউমার ধরা পড়লে জেনে নিন এটি কোন ধরনের। মেনিনজিওমা, সোয়ানোমা ও পিটুইটারি অ্যাডেনোমার মতো বেনাইন টিউমারের সার্জারির ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক। তাই হতাশ হবেন না।

এই লেখাটি সাধারণ সচেতনতার জন্য; এটি চিকিৎসকের সরাসরি পরামর্শের বিকল্প নয়।

পরামর্শের জন্য সিরিয়াল নিন

ঢাকা: শনি – বুধ · রাজশাহী: বৃহস্পতি সন্ধ্যা – শুক্র বিকাল

সিরিয়াল নিন